হজ
গাইড
- হজের দিনগুলো: ধাপে ধাপে তামাত্তু হজ৮ থেকে ১২ জিলহজ — মিনা, আরাফা, মুযদালিফা, জামারাত ও তাওয়াফে যিয়ারাহ।
- মিকাত: কোথায় ইহরাম বাঁধবেনপাঁচটি মিকাত, বাংলাদেশ থেকে আকাশ-জল-স্থলপথের মিকাত, আর বিমানে ইহরামের নিয়ম।
- হজের মৌলিক বিষয়: শর্ত, প্রকার, ফরজ-ওয়াজিব-সুন্নতহজ ফরজ হওয়ার শর্ত, ফজিলত, তিন প্রকার হজ, নিয়ত, ৩টি ফরজ, ৬টি ওয়াজিব ও সুন্নতসমূহ।
- ভুল হলে কী করবেন: দম, বাদানাহ ও সাদাকাহকোন ভুলে দম, কোন ভুলে বাদানাহ, আর কোন ভুলে সাদাকাহ দিতে হয় — এবং কোথায় আদায় করবেন।
- তাওয়াফ ও সাঈর বিধানতাওয়াফের প্রকার, ফরজ-ওয়াজিব-সুন্নত, ধাপে ধাপে নিয়ম এবং সাঈর নিয়ম ও সতর্কতা।
- বদলি হজকখন অন্যকে দিয়ে হজ করাতে হয়, অসিয়তের বিধান এবং বদলি হজের নিয়ম।
- হজ-উমরাহর সফরে নামাজ: কসর না পূর্ণপথে কসর, ১৫ দিনের নিয়ম, ইমামের পেছনে পূর্ণ নামাজ, মিনা-আরাফা ও মুযদালিফার নামাজ।
- দোয়া কবুলের বিশেষ স্থানকাবা চত্বর, মাতাফ, মুলতাজাম, আরাফা, মুযদালিফা, মিনাসহ যেসব স্থানে দোয়া কবুল হয় বলে বর্ণিত।
দোয়া
لَبَّيْكَ اللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ، لَا شَرِيْكَ لَكَ
লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান নি‘মাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শারিকা লাক।
আমি হাজির, হে আল্লাহ! আমি হাজির। আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সব প্রশংসা, নিয়ামত ও রাজত্ব তোমারই, তোমার কোনো শরিক নেই।
কখন: ইহরামের নিয়তের পর থেকে · সূত্র: সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أُرِيْدُ الْحَجَّ فَيَسِّرْهُ لِيْ وَتَقَبَّلْهُ مِنِّيْ
আল্লাহুম্মা ইন্নি উরিদুল হাজ্জা ফাইয়াসসিরহু লি ওয়া তাকাব্বালহু মিন্নি।
হে আল্লাহ! আমি হজ পালনের নিয়ত করছি। আপনি তা আমার জন্য সহজ করে দিন এবং আমার পক্ষ থেকে কবুল করে নিন।
কখন: হজের ইহরাম বাঁধার সময় · সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।
আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। সব রাজত্ব ও প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব বিষয়ে ক্ষমতাবান।
কখন: ৯ জিলহজ, আরাফার ময়দানে · সূত্র: সুনানে তিরমিজি
بِسْمِ اللّٰهِ وَاللّٰهُ أَكْبَرُ
বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার।
আল্লাহর নামে কংকর নিক্ষেপ করছি। আল্লাহ মহান।
কখন: প্রতিটি কংকর নিক্ষেপের সময় · সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْهُ حَجًّا مَبْرُوْرًا وَذَنْبًا مَغْفُوْرًا وَسَعْيًا مَشْكُوْرًا
আল্লাহুম্মাজআলহু হাজ্জাম মাবরুরান ওয়া জানবান মাগফুরান ওয়া সা‘ইয়ান মাশকুরান।
হে আল্লাহ, এই হজকে মকবুল হজ ও গুনাহ মাফের উপলক্ষ বানিয়ে দিন এবং এই প্রচেষ্টা কবুল করুন।
কখন: তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে · সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِيْ دِيْنِيْ وَدُنْيَايَ وَأَهْلِيْ وَمَالِيْ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফিদ দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ, আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফি দীনি ওয়া দুনইয়ায়া ওয়া আহলি ওয়া মালি।
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ, আমি আমার দ্বীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাই।
কখন: আরাফা, মিনা ও দোয়া কবুলের স্থানে · সূত্র: সুনানে আবু দাউদ; সুনানে ইবনে মাজাহ
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি, ওয়াল আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালাইদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজাল।
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের বোঝা ও মানুষের দমন থেকে।
কখন: আরাফা, মিনা ও দোয়া কবুলের স্থানে · সূত্র: সহিহ বুখারি
اَللّٰهُمَّ آتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا، وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا، أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا
আল্লাহুম্মা আতি নাফসি তাকওয়াহা, ওয়া যাক্কিহা আনতা খাইরু মান যাক্কাহা, আনতা ওয়ালিয়ুহা ওয়া মাওলাহা।
হে আল্লাহ, আমার আত্মাকে তাকওয়া দান করুন এবং একে পবিত্র করুন — আপনিই শ্রেষ্ঠ পবিত্রকারী, আপনিই এর অভিভাবক ও প্রভু।
কখন: আরাফা, মিনা ও দোয়া কবুলের স্থানে · সূত্র: সহিহ মুসলিম
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلٰى دِيْنِكَ
ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কালবি আলা দীনিক।
হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর অটল রাখুন।
কখন: আরাফা, মিনা ও দোয়া কবুলের স্থানে · সূত্র: সুনানে তিরমিজি
প্রশ্নোত্তর
হজের ফরজ কয়টি?
হজের ফরজ ৩টি — ইহরাম করা, উকুফে আরাফা (৯ জিলহজ আরাফার ময়দানে অবস্থান) এবং তাওয়াফে যিয়ারাহ (ফরজ তাওয়াফ)।
মহিলারা চুল কতটুকু কাটবেন?
মহিলারা মাথার চুলের অগ্রভাগ থেকে কমপক্ষে আঙুলের এক কর পরিমাণ কাটবেন। মহিলাদের জন্য মাথা মুণ্ডানো নেই।
হজের ওয়াজিব কয়টি?
হজের ওয়াজিব ৬টি:
১. ৯ জিলহজ দিবাগত রাতে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয়ের মধ্যে কিছু সময় মুযদালিফায় অবস্থান।
২. ১০ জিলহজ বড় জামারায় ৭টি এবং ১১ ও ১২ জিলহজ তিন জামারায় ৭টি করে কংকর নিক্ষেপ।
৩. কিরান ও তামাত্তু হজে দমে শোকর বা কুরবানি।
৪. হলক বা কসর।
৫. সাফা-মারওয়ায় সাঈ।
৬. মিকাতের বাইরে থেকে আসা হাজিদের বিদায়ী তাওয়াফ।
কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে দম দেওয়া ওয়াজিব।
হজ কত প্রকার?
হজ তিন প্রকার:
ইফরাদ — শুধু হজের নিয়তে ইহরাম করে হজ পালন।
তামাত্তু — হজের মাসে প্রথমে উমরাহর ইহরাম করে উমরাহ পালন, পরে হজের জন্য আবার ইহরাম করে হজ পালন। এতে কুরবানি ওয়াজিব।
কিরান — একই ইহরামে উমরাহ ও হজ দুটোই পালন (উমরাহর পরে হালাল না হয়ে)। এতেও কুরবানি ওয়াজিব।
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অধিকাংশ হাজি তামাত্তু হজ করেন।
১০ জিলহজের আমলগুলো কোন ক্রমে করতে হয়?
প্রথমে বড় জামারায় ৭টি কংকর নিক্ষেপ, তারপর (তামাত্তু ও কিরান হলে) কুরবানি, তারপর হলক বা কসর। এই তিন আমলের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা ওয়াজিব। এরপর তাওয়াফে যিয়ারাহ ও সাঈ — সম্ভব না হলে ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের আগে অবশ্যই তাওয়াফে যিয়ারাহ সম্পন্ন করতে হবে।
মুযদালিফা থেকে কতটি কংকর সংগ্রহ করব?
মোট ৪৯টি কংকর লাগে (১০ তারিখ ৭টি, ১১ ও ১২ তারিখ ২১টি করে)। ১৩ তারিখ মিনায় থাকলে আরও ২১টি লাগে। তাই মুযদালিফা থেকে ৭০টি কংকর সংগ্রহ করে নেওয়া ভালো।
নারীদের হজে কি মাহরাম সঙ্গী আবশ্যক?
শরিয়াহর বিধান অনুসারে নারীদের হজের সফরে স্বামী বা মাহরাম সফরসঙ্গী থাকা আবশ্যক। মাহরাম সঙ্গী না থাকলে বা সঙ্গীর খরচ বহনের সামর্থ্য না থাকলে তিনি অপেক্ষা করবেন; সমস্যার সমাধান না হলে বদলি হজ করাবেন। উমরাহর ক্ষেত্রে সৌদি সরকারের সর্বশেষ ভিসা নীতিও যাত্রার আগে জেনে নিন।
হজ ফরজ হওয়ার পর দরিদ্র হয়ে পড়লে কি হজের ফরজ রহিত হয়?
না। হজ ফরজ হওয়ার বছরে আদায় না করে ইচ্ছাকৃতভাবে দেরি করলে, পরে দরিদ্র হয়ে পড়লেও হজের ফরজ রহিত হয় না।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
তাওয়াফে যিয়ারাহ ১০–১২ জিলহজের মধ্যে করতে না পারলে কী করণীয়?
নারীরা প্রাকৃতিক কারণে করতে না পারলে পবিত্র হওয়ার সাথে সাথে আদায় করবেন। বিমানের সময়সূচির কারণে অপবিত্র অবস্থায় ফরজ তাওয়াফ করতে বাধ্য হলে করবেন, তবে একটি গরু জবাই করে মক্কা-মিনার দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দিতে হবে। পুরুষদের তাওয়াফে যিয়ারাহ আদায়ও করতে হবে এবং দমও দিতে হবে।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
মিনায় রাত্রিযাপনের বিধান কী?
সুন্নত।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
মুযদালিফায় কখন ও কতক্ষণ থাকলে ওয়াজিব আদায় হবে?
সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যোদয়ের আগে কিছুক্ষণ অবস্থান করলেই ওয়াজিব আদায় হবে।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
আরাফায় কখন ও কতক্ষণ থাকলে ফরজ আদায় হবে?
সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে যাওয়ার পর থেকে সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত কিছুক্ষণ অবস্থান করলেই ফরজ আদায় হবে। তবে সকাল থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করা সুন্নত। সূর্যাস্তের আগে আরাফার সীমানা থেকে বের হয়ে গেলে এবং সূর্যাস্তের আগে ফিরে না এলে দম ওয়াজিব হবে।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
ওজরের কারণে ৯ জিলহজ সূর্যাস্তের পরে আরাফায় পৌঁছালে ফরজ আদায় হবে?
ফরজ আদায় হবে, তবে দম দিতে হবে। (৯ জিলহজ দিবাগত রাতের সুবহে সাদিকের আগে কিছু সময় অবস্থান করতে হবে।)
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
কংকর নিক্ষেপের সময় কখন শুরু হয়?
১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের পর এবং ১১ ও ১২ জিলহজ সূর্য পশ্চিমে হেলে যাওয়ার পর কংকর নিক্ষেপের সময় শুরু হয়। ১০ তারিখের কংকর ১১ তারিখের সুবহে সাদিকের মধ্যে নিক্ষেপ না করলে দম ওয়াজিব হবে।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
মুযদালিফায় মাগরিব ও এশা একসাথে কীভাবে পড়বেন?
এক আজান ও এক ইকামতে, মাঝখানে কোনো সুন্নত না পড়ে মাগরিব ও এশার ফরজ পরপর আদায় করবেন। এরপর সুন্নতে মুয়াক্কাদা ও বিতর পড়বেন।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
অন্যকে দিয়ে কংকর নিক্ষেপ করানো যাবে?
যিনি বাহনে চড়েও কংকর নিক্ষেপের স্থানে যেতে অক্ষম, তিনি অন্যের মাধ্যমে কংকর নিক্ষেপ করাতে পারবেন। নিক্ষেপকারী আগে নিজের কংকর, পরে অক্ষম ব্যক্তির কংকর নিক্ষেপ করবেন। শরিয়তসম্মত ওজর ও অসুস্থতা ছাড়া প্রতিনিধির মাধ্যমে নিক্ষেপ করালে ওয়াজিব আদায় হয় না।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
দমে শোকর কোন হজে ওয়াজিব এবং কোথায় জবাই করতে হয়?
কিরান ও তামাত্তু হজে দমে শোকর ওয়াজিব এবং তা হারাম এলাকায় আদায় করতে হয়। ব্যাংকের মাধ্যমে দমে শোকর আদায় করাও জায়েজ।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
দমে শোকর আদায়ের সামর্থ্য না থাকলে বিকল্প কী?
৯ জিলহজের আগে তিনটি রোজা এবং ১৩ জিলহজের পরে আরও সাতটি রোজা রাখতে হবে। রোজা রাখতে না পারলে দমে শোকর আদায় করতে হবে।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
হাজিদের ওপর কি ঈদুল আযহার কুরবানি ওয়াজিব?
হাজি যদি মক্কায় মুকিম হয়ে যান এবং তার কাছে জাকাত ওয়াজিব হওয়ার সমপরিমাণ সম্পদ থাকে, তাহলে ঈদুল আযহার কুরবানি ওয়াজিব। এ কুরবানি নিজ দেশে আদায় করলেও হবে।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
হিল্ল ও হারাম এলাকার বাসিন্দাদের কি বিদায়ী তাওয়াফ করতে হয়?
না, হিল্ল ও হারাম এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য বিদায়ী তাওয়াফ নেই। আর নারীরা প্রাকৃতিক কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করতে না পারলে কোনো দম বা কাফফারা দিতে হয় না।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
ভিড় এড়াতে নারীরা কি ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে কংকর নিক্ষেপ করতে পারবেন?
হ্যাঁ, জায়েজ।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
পুরুষ মাথার এক অংশের চুল কাটলে কি ইহরাম থেকে মুক্ত হবেন?
না। মাথার পুরো চুলের কমপক্ষে চার ভাগের এক ভাগ ছোট করা বা মুণ্ডন করা ওয়াজিব; এর চেয়ে কম কাটলে ইহরাম থেকে মুক্ত হবেন না এবং ইহরামের নিষেধাজ্ঞাগুলো বহাল থাকবে। পুরো মাথা মুণ্ডানো বা ছোট করা সুন্নত।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
এই শব্দে কোনো প্রশ্ন পাওয়া যায়নি।
