- হজ ও উমরাহকারী যাতায়াতের পথে নামাজ কসর করবেন (চার রাকাতের ফরজ দুই রাকাত)।
- গন্তব্যে পৌঁছে একই স্থানে ১৫ দিন বা তার বেশি থাকার নিয়ত করলে পূর্ণ নামাজ পড়বেন; ১৫ দিনের কম থাকার নিয়ত করলে কসর পড়বেন।
- তবে স্থানীয় ইমামের পেছনে জামাতে পড়লে ইমামের অনুসরণ করা ওয়াজিব — অর্থাৎ পূর্ণ নামাজই পড়বেন।
- মিনা ও আরাফায় নামাজ কসর না পূর্ণ, এবং আরাফার তাঁবুতে জোহর-আসর একসাথে না আলাদা — এ বিষয়ে মাজহাবভেদে ভিন্ন মত আছে। এসব ক্ষেত্রে মতবিরোধে না গিয়ে উপস্থিত ইমাম বা আলেমদের অনুসরণ করাই উত্তম।
- মুযদালিফায় মাগরিব ও এশা এক আজান ও এক ইকামতে, মাঝে কোনো সুন্নত না পড়ে পরপর আদায় করবেন; এরপর সুন্নত ও বিতর পড়বেন।
উদাহরণ: হজের আগে মক্কায় ১৫ দিনের বেশি থাকার কথা থাকলে সেখানে পূর্ণ নামাজ, আর মদিনায় ৮–১০ দিন থাকলে সেখানে কসর পড়বেন — অবশ্য মসজিদে নববি বা মসজিদুল হারামে ইমামের পেছনে জামাতে পূর্ণ নামাজই হবে। নিজের সফরসূচি দেখে সঙ্গের আলেমের সাথে মিলিয়ে নিন।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
