অফিস: শনি–বৃহস্পতি, সকাল ১০টা – সন্ধ্যা ৭টা

ইহরাম অবস্থায় কোন কাজগুলো নিষিদ্ধ?

সুগন্ধি ব্যবহার, চুল বা নখ কাটা, স্বামী-স্ত্রীর মেলামেশা, শিকার করা এবং ঝগড়া-বিবাদ নিষিদ্ধ। পুরুষের জন্য সেলাই করা কাপড় পরা এবং মাথা ও মুখ ঢাকা নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ কাজ থেকে বেঁচে থাকা ইহরামের ওয়াজিব।

সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন

ইহরাম অবস্থায় নারীরা মুখ ঢাকবেন কীভাবে?

ইহরাম অবস্থায় নারীর চেহারায় কাপড় লেগে থাকা নিষিদ্ধ। গায়রে মাহরামের সামনে চেহারা ঢেকে রাখবেন, তবে খেয়াল রাখবেন কাপড় যেন চেহারার সাথে লেগে না থাকে। নারীদের জন্য জুতা, মোজা ও হিজাব পরা জায়েজ।

সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।

ইহরাম ছাড়া মিকাত অতিক্রম করলে কী করতে হবে?

মিকাতে ফিরে এসে ইহরাম বাঁধা আবশ্যক। মিকাত অতিক্রমের পরে ইহরাম বাঁধলে দম ওয়াজিব হবে।

সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।

হায়েজ বা নিফাস অবস্থায় তাওয়াফের বিধান কী?

হায়েজ-নিফাস অবস্থায় তাওয়াফ করা নিষিদ্ধ; পবিত্র হওয়ার পর তাওয়াফ করবেন। এ অবস্থায় ফরজ তাওয়াফ করে ফেললে পুনরায় তাওয়াফ ওয়াজিব। পুনরায় করার সুযোগ না থাকলে মক্কা বা মিনায় একটি উট বা গরু জবাই করে বিলিয়ে দেওয়া ওয়াজিব।

সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।

হারাম ও মিকাতের মাঝের এলাকায় যারা থাকেন, তাদের মিকাত কোথায়?

হারাম এলাকার সীমানা থেকে মিকাত পর্যন্ত এলাকাকে হিল্ল বলে। এখানকার বাসিন্দাদের হজ ও উমরাহর মিকাত তাদের নিজ অবস্থানস্থল।

সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।

তাওয়াফে যিয়ারাহ ১০–১২ জিলহজের মধ্যে করতে না পারলে কী করণীয়?

নারীরা প্রাকৃতিক কারণে করতে না পারলে পবিত্র হওয়ার সাথে সাথে আদায় করবেন। বিমানের সময়সূচির কারণে অপবিত্র অবস্থায় ফরজ তাওয়াফ করতে বাধ্য হলে করবেন, তবে একটি গরু জবাই করে মক্কা-মিনার দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দিতে হবে। পুরুষদের তাওয়াফে যিয়ারাহ আদায়ও করতে হবে এবং দমও দিতে হবে।

সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।

← সব প্রশ্নোত্তর