মসজিদুল হারামে নারীদের জন্য বিশেষ সতর্কতা কী?
শরিয়াহসম্মত পর্দা রক্ষা করা, আতর-সুগন্ধি ব্যবহার না করা, নারীদের জন্য নির্ধারিত স্থানে নামাজ আদায় করা এবং কোনোভাবেই পুরুষদের কাতারে নামাজে না দাঁড়ানো।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
বিষয়: নারীদের জন্য
সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন
হায়েজ বা নিফাস অবস্থায় ইহরাম করা ও মসজিদুল হারামে প্রবেশ করা যাবে কি?
হায়েজ-নিফাস অবস্থায় ইহরাম করা যাবে, তবে ইহরামের নামাজ পড়া যাবে না এবং মসজিদুল হারামে প্রবেশ করা যাবে না।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
হায়েজ বা নিফাস অবস্থায় তাওয়াফের বিধান কী?
হায়েজ-নিফাস অবস্থায় তাওয়াফ করা নিষিদ্ধ; পবিত্র হওয়ার পর তাওয়াফ করবেন। এ অবস্থায় ফরজ তাওয়াফ করে ফেললে পুনরায় তাওয়াফ ওয়াজিব। পুনরায় করার সুযোগ না থাকলে মক্কা বা মিনায় একটি উট বা গরু জবাই করে বিলিয়ে দেওয়া ওয়াজিব।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
তাওয়াফে যিয়ারাহ ১০–১২ জিলহজের মধ্যে করতে না পারলে কী করণীয়?
নারীরা প্রাকৃতিক কারণে করতে না পারলে পবিত্র হওয়ার সাথে সাথে আদায় করবেন। বিমানের সময়সূচির কারণে অপবিত্র অবস্থায় ফরজ তাওয়াফ করতে বাধ্য হলে করবেন, তবে একটি গরু জবাই করে মক্কা-মিনার দরিদ্রদের মাঝে বিলিয়ে দিতে হবে। পুরুষদের তাওয়াফে যিয়ারাহ আদায়ও করতে হবে এবং দমও দিতে হবে।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
হিল্ল ও হারাম এলাকার বাসিন্দাদের কি বিদায়ী তাওয়াফ করতে হয়?
না, হিল্ল ও হারাম এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য বিদায়ী তাওয়াফ নেই। আর নারীরা প্রাকৃতিক কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করতে না পারলে কোনো দম বা কাফফারা দিতে হয় না।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
ভিড় এড়াতে নারীরা কি ১০ জিলহজ সূর্যোদয়ের আগে কংকর নিক্ষেপ করতে পারবেন?
হ্যাঁ, জায়েজ।
সূত্র: হজ ও উমরাহ সহায়িকা, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (২০২৪)।
